My Website

My Inner Feelings Profile Picture
🌟 স্বাগতম myinnerfeelings! আপনার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছি আনমনে, কখন আসিবেন আর সঙ্গ দিবেন আমার সনে!... 🌟

প্রিয়তে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায়
কাটিয়ে দেওয়া অপেক্ষার মূহূর্ত,
যেনো মনে হয়, রয়েছে সে অজানায়,
ফিরে আসবে কখন, বাড়ছে কি দূরত্ব!

তাকে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায়
থাকি আনমনে বসে তারি অপেক্ষায়।

অতঃপর ঘটিল অবসান অপেক্ষার
তাহাকে ফিরে পাওয়ায়,
সময়টা হারিয়ে হঠাৎ নামলে আঁধার,
কয়েক সেকেন্ড মূহূর্ত ভাবনায়!

মনে হলো, রয়েছি তারি সাথে যেনো
জন্ম-জন্মান্তর;
তবে কি পুনরায় দাঁড়িয়ে গুণবো অপেক্ষার প্রহর?

আবার আসিব ফিরে
তার নীড়ে,
হয়তো সেই আমি,
কিংবা ছদ্মবেশীর ভীড়ে!

হয়তো আমি হারিয়ে যাবো
তার অনূভুতির অন্ধকারে—
হয়তো বা কখনো সন্ধ্যায়,
একদিন সন্ধ্যার বেলায়,
সাঁঝের তারা হয়ে ফুটে থাকবো,
একা তার নীড়ায়!

হয়তো আমি ভুলে যাবো সব,
তার সাথে ঘটে যাওয়া যত অনুভব!

তবুও আবার আসিব ফিরে
তারি নীড়ে।
হয়তো সেই তুমি অপেক্ষা করিবে
শত শতাব্দীর ভীড়ে।

আল্লাহ আমাদেরকে “অতি আশাবাদী কিংবা হতাশাগ্রস্থ জাতি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন নাই”!

মহান আল্লাহ পাক আমাদের সম্পর্কে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন “মধ্যমপন্থী অর্থাৎ ভারসাম্যপূর্ণ জাতি" হিসেবে ☺️

(সূরা আল-বাকারা (২:১৪৩))

আর পুরো কুরআন মাজিদ তো ভারসাম্যপূর্ণ ❤️

তাই, জীবনে চলতে ফিরতে ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে চলাই উত্তম 🪷

সে ছিলো প্রথম... হারিয়ে যায় চলে যায় শেষে,

সে এখনো প্রথম...

অবস্থান তার ছদ্মবেশীর বেশে !

লোককথায় আছে,

কাক যখন চুরি করে, তখন নাকি সে চোখ বন্ধ করে!

ভাবতে থাকে—

"আমি যেহেতু কিছুই দেখছি না, তাহলে কেউ আমাকেও দেখতে পাচ্ছে না!"

শুধু ভাগ্যেই থাকলে হয় না,

সাথে স্মৃতিসৌধ ও থাকতে হয় ^⁠_⁠^

"তুমি ছিলে নিঃসঙ্গতা মুছে ফেলার
এক ঝাঁক মূহুর্তের স্মৃতি,
কখন যেনো নিজেকে হারিয়ে
করিয়া দিলে আমায় বিস্মৃত!

মূহূর্ত এসে যায়, কখনো আড়াআড়ি
অনূভুতি ধরা দেয়, কিন্তু স্মৃতি বড্ড বাড়াবাড়ি?

চলে গেলে পাশ কাটিয়ে
সেই অনূভুতি, মূহূর্ত আর স্মৃতিতে,
রয়ে গেছো তবুও
তোমাকে না পাওয়ার হাজারো অপূর্ণতার অনূভুতিতে!"
ভিতর কি বাহির বুঝে
বাহির কি ভিতর খুঁজে (^_^)
হাজার শব্দের সংমিশ্রণে তৈরি হয় উপন্যাস,
একটি শব্দের সংমিশ্রণে তৈরি হয় অনূভুতির বিন্যাস 😌
সেই শব্দটি হচ্ছে, তুমি কিংবা আমি :^)
★★★ সেই ব্যক্তি ★★★
=================================

একটা উঁচু রাস্তার পাদদেশে কয়েকটা ঘর দাঁড়িয়ে আছে। এই ধরেন তিনটার মতো ঘর হবে। তার মধ্যে একটি ঘর যেনো নাই।

নিচু জায়গা তো, হয়তো বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই ঘরের মালিকেরা চলে গেছে (মনে মনে ভাবলাম)। তাহলে কি সে এখান থেকে চলে গেছে? মানে, এই জায়গায় কি আর থাকে না? মনটা কিছুটা খারাপ লাগলো।

কিছুক্ষণ পর, পাশের আরেকটা ঘর থেকে একজন মহিলা বের হয়ে আসতে দেখি৷ মনে হয়, টিউবওয়েল থেকে পানি নিতে আসছে। ঘরের বারান্দায় তার ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করছে।

আমি মহিলাটাকে জিগ্যেস করলাম, "এখানে (.?) নামে কেউ থাকে?" উনি বলল, হুম, পাশের ঘরে এই নামে একজন থাকে।

অতঃপর পাশের ঘরের সামনে গিয়ে তার নামে ডাক দিতেই একজন মেয়ে দরজা খুলে দরজার নিকট এসে দাঁড়ালো। আমি যাকে খুজছিলাম, এই ব্যক্তি কি সেই? চেহারা /রং যেনো অন্যরকম লাগছে।

সরাসরি বলি নাই, আপনার নাম কি (.?) কিছু মনের গহীনে থাকা প্রশ্ন জিগ্যেস করলাম। (আসলেই সে কি না তা যাচাই করার জন্য)

তাকে বললাম, “আপনি কেন ঐ কাজটা করছিলেন, জানেন কতটা অপেক্ষা করছি আর কষ্ট পেয়েছি?”

সে আমার কথায় সম্মতি প্রকাশ করলো!
অতঃপর নিশ্চিত হলাম, উনিই সেই ব্যক্তি!

কারণ, এই প্রশ্নের উত্তর সে ব্যতীত কেউ জানে না। কেননা, এই প্রশ্নটিই সে নিজেই বানিয়েছিল। তাই, এই উত্তর সে ব্যতীত কেউ জানবে না।

অতঃপর ভুলে গেছি।

অসমাপ্ত ⚠️
তুমি পুকুর পাড়ে বসো না।
কারণ, তার নিঃশব্দতা তোমায় বোবা করে রাখবে। ;⁠)

তুমি নদীর পাড়ে বসো না।
কারণ, তার ভাঙ্গন তোমায় তলিয়ে নিবে। ;⁠-⁠)

তুমি সাগর পাড়ে বসো না।
কারণ, তার উত্তাল ঢেউ তোমায় ভাসিয়ে নিবে। 😅

তুমি পুকুর
করে রাখে নিঃশব্দ আমায়,

তুমি বয়ে যাওয়া নদী
তার ভাঙ্গন নিয়ে যায় আমায়,

তুমি উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ
ভাসিয়ে নিয়ে যায় দূর দূরান্ত,
যাতে দেখা না পায় তোমায়।

আমি বরং হারিয়ে যাই,
যাতে অনূভুতি বারবার খুঁজে না বেড়ায় :⁠0:⁠'⁠(:⁠-⁠!;⁠)

তোমায় 🤍

Writer:- Me ✍🏿

তার সাথে যোগাযোগ নেই বহুদিন । তার জন্য খুব মন পুড়ছে। তার সাথে বড্ড যোগাযোগের ইচ্ছে হচ্ছিল। আমি বন্ধুকে বললাম, “তাকে দেখতে যাবো, তুই কি আমার সঙ্গে যাবি"? সে সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল। অতঃপর, তাকে দেখার জন্য রওনা দিলাম।


পৌঁছে গিয়ে দেখলাম তার বাড়ির সামনে অনেক বড় গেট। ভিতরে গিয়ে প্রবেশ করে দেখি, তখন সে পড়ার টেবিলে। আমি তাকে সম্মোধন করলে সে সাড়া দেয়। আমি তার সঙ্গে কথা বলছি, সে তখন চেয়ারে হেলান দিয়ে আনমনে আমার কথাগুলো শুনছিলো ।


আমি তাকে কিছু সাদা প্রিন্ট পেপার্স দিতে লাগলাম। সে বলল, এগুলো কি?


আমি বললাম , জানেন? আপনার সাথে এই দীর্ঘদিন যোগাযোগ না হওয়ায়, মনের মধ্যে এতো কথা জমা হয়েছে। সেগুলো প্রকাশ করা জন্য এই পেপার্সগুলো নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রকাশ করতে পারি নি। মনের মাঝে এতো কথা লুকায়িত, কি থেকে কি প্রকাশ করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।


এই সাদা পৃষ্ঠাগুলোতে আমার ভিতরে জমে থাকা হাজারো অতৃপ্তি খুঁজে পাবেন, যা এই দীর্ঘদিন আপনার সাথে প্রকাশ করতে পারি নি 😌


অতঃপর, তার মা প্রবেশ করলে, আমি ইতস্তত বোধ করলাম।


আমি উনাকে বললাম , “জানেন আন্টি, আপনার মেয়ে না আমার খুব ভালো একজন বন্ধু 😂”

হারিয়ে যাওয়া

টিকেট চেক করে নির্দিষ্ট সিটে বসলাম। ট্রেন চলা শুরু করলো। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে থেমে যায়।
বুঝা গেল, ট্রেন নষ্ট হয়ে গেছে। মনে হয়, আর চলবে না।

যায় হোক, নিচে একটু নামি, ট্রেন মেরামত হলে আবার উঠবো নে।
হঠাৎ বৃষ্টি বৃষ্টি ভাব। বৃষ্টি যাতে না ছুঁয়ে যায়, তাই একটা ঘরে প্রবেশ করলাম।
হঠাৎ করে শুনি, ট্রেন চলাচলের শব্দ। উঁকি দিয়ে দেখি, আমাদের ট্রেনটি নয় সেটা অন্যটা ছিলো।

কিছুক্ষণ মূহূর্ত পর দেখলাম, আমাদের ট্রেনটিও চলা শুরু করলো। তাকিয়ে দেখা ছাড়া উপায় ছিল না।
অতঃপর মিস করে ফেললাম। কিন্তু ট্রেনের মধ্যে একটি ব্যাগ রেখে আসছি, যেখানে কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল, যার জন্য আফসোস হয়।

যায় হোক, অতঃপর ট্রেনের পিছনে তাড়া নিলাম। একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, এই ট্রেনের পরবর্তী স্টেশন কোথায়?
সে বলল, "অমুক জায়গায়"। আমি অমুক জায়গা উদ্দেশ্যে দৌড়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু দৌড়ায় কি ট্রেনের সাথে পারা যায়?
খুবই আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম কখন একটি গাড়ি আসবে। কিন্তু রাস্তায় তেমন কোন গাড়ির দেখাই নাই, সব কিছু শুন্য।

অতঃপর, একটা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে মুখোমুখি হলাম।
একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, কিভাবে পার হবো? সে শিখিয়ে দিলো। কিন্তু আমি পারলাম না পার হতে 😅
বিপদে পড়ে গেলাম। অতঃপর একজন এসে আমাকে খুব তিরস্কার করতে লাগলো, "আরে এই বিপদ এইভাবে পার করতে নেই, এটাকে এইভাবে পার করতে হয়।"

অতঃপর বুঝতে পারলাম, সত্যিই তো। আসলেই, সেই মূল্যবান ব্যাগটার জন্য আমার সবকিছুই হঠাৎ যেনো উল্টাপাল্টা লাগছে, তাই মাথা কাজ করছে না।

যায় হোক, এখানে আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমি কেনই বা ট্রেন থেকে নামতে গেলাম।
আহ্, ট্রেন থেকে যদি নাই নামতাম, তাহলে এমন পরিস্থিতি মধ্যে পড়তে হতো না।
আর এটাও ভাবলাম, নেমে তেমন একটা মন্দ হয় নি, একটি নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম।
অতঃপর, সামনের দিকে অগ্রসর হলাম।

#সমাপ্ত

এখান থেকে ওয়েবসাইটের বাকি অংশ শুরু

আমি পরীক্ষাগৃহে, বেঞ্চির উপর বসিয়া, কলম হাতে ঝিমাইতেছিলাম। একটু মিট্ মিট্ করিয়া ক্ষুদ্র আলো জ্বলিতেছে-দেয়ালের উপর ফ্যানের ছায়া, প্রেতবৎ নাচিতেছে। কিছু প্রশ্নের উত্তর লিখিয়া, বাকিটুকু শুরু করিবো; এজন্য কলম হাতে, নিমীলিতলোচনে আমি ভাবিতেছিলাম যে, আমি যদি সবকয়টি প্রশ্নের উত্তর লিখিয়া দিই , তবে কি A+ পাইবো। এমন সময়ে আমার খাতার উপরে একটি ক্ষুদ্র শব্দের আঘাত লাগিলো! শব্দের আঘাতটা যেনো বড় নরম, মনে হয় কোন তনয়ীর হাতের আঙ্গুলের আঘাতের শব্দ খাতার উপরে ধসে পড়িয়াছে।

চাহিয়া দেখিলাম-হঠাৎ কিছু বুঝিতে পারিলাম না। প্রথমে মনে হইল, ম্যাডাম হয়তো হঠাৎ দয়াবান প্রাপ্ত হইয়া, আমার নিকট আসিয়াছে। প্রথম উদ্যমে,আগ্রহে ভাবিলাম, এক্ষণে ম্যাডাম আমাকে পরীক্ষায় A+ দিয়ে পুরুষ্কিত করিবেন”।

তখন চক্ষু চাহিয়া ভাল করিয়া দেখিলাম যে, ম্যাডাম নহে। সামনের বেঞ্চে বসা মার্জারী; আমি যেটুকু লিখিয়াছিলাম, তাহা দেখিয়া দেখিয়া মন ভরিয়া তাহার খাতায় লিখিতেছে, আমি তখন কল্পনায় ব্যস্ত, অত দেখি নাই। এক্ষণে মার্জারী, পরিতৃপ্ত হইয়া আপন মনের সুখ এ জগতে প্রকটিত করিবার অভিপ্রায়ে, অতি মধুর স্বরে বলিতেছেন, “ভাইয়া!” বলিতে পারি না, বুঝি, তাহার ভিতর একটু ব্যঙ্গ ছিল; বুঝি, মার্জারী মনে মনে হাসিয়া আমার পানে চাহিয়া ভাবিতেছিল, “কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই।” বুঝি সে “ভাইয়া” শব্দে একটু মন বুঝিবার অভিপ্রায় ছিল। বুঝি মার্জারীর মনের ভাব, “তোমার খাতা থেকে নকল করিয়া, লিখিয়া বসিয়া আছি-এখন বল কি?”

বলি কি? আমি ত ঠিক করিতে পারিলাম না। তবে চিরাগত একটি প্রথা আছে যে, পরীক্ষাগৃহে কেউ যদি অন্যের খাতা দেখিয়া লেখে; তাহলে প্রশ্নপত্র দ্বারা খাতা ঢাকিয়া ফেলিতে হয়। আমি যে সেই চিরাগত প্রথার অবমাননা করিয়া মনুষ্যকুলে কুলাঙ্গার স্বরূপ পরিচিত হইব, ইহাও বাঞ্ছনীয় নহে। কি জানি, এই মার্জারী যদি স্বজাতি-মণ্ডলে আমাকে কাপুরুষ বলিয়া উপহাস করে? অতএব পুরুষের ন্যায় আচরণ করাই বিধেয়। ইহা স্থির করিয়া, সকাতরচিত্তে, প্রশ্নপত্র দ্বারা খাতা ঢাকিয়া ফেলিলাম।

মার্জারী আমাকে চিনিত; প্রশ্ন দ্বারা খাতা ঢাকিয়া ফেলায় সে বিশেষ ভীত হওয়ার কোন লক্ষণ প্রকাশ করিল না। কেবল আমার মুখপানে চাহিয়া হাই তুলিয়া, একটু সরিয়া বসিল। বলিল, “ভাইয়া!”

বুঝিলাম যে, মার্জারী বলিতেছে, “খাতা ঢাকিতেছ কেন? স্থির হইয়া কলম হাতে নিয়া, একটু বিচার করিয়া দেখ দেখি? এ পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক, জ্ঞানমূলক,অনুধাবনমূলক, প্রয়োগ, উচ্চতর দক্ষতা প্রশ্নের উত্তরগুলো শুধই তোমরা লিখবে, আমরা কিছু লিখতে পারবো না কেন? তোমরা মেধাবী, আমরা দূর্বল, প্রভেদ কি? তোমাদের লেখার ক্ষুৎপিপাসা আছে-আমাদের কি নাই? তোমরা লিখো, আমাদের আপত্তি নাই; কিন্তু আমরা একটু তোমাদের খাতা দেখিয়া লিখতে গেলেই তোমরা কোন্ শাস্ত্রানুসারে, প্রশ্ন দ্বারা খাতা ঢাকিয়া দাও?তাহা আমি বহু অনুসন্ধানে পাইলাম না। তোমরা আমার কাছে কিছু উপদেশ গ্রহণ কর।

“দেখ, মেধাবী মনুষ্য! ধর্ম্ম কি? পরোপকারই পরম ধর্ম্ম। এই তোমারটুকু নকল করিয়া আমার পরম উপকার হইয়াছে। তোমার খাতা হইতে এই পরোপকার সিদ্ধ হইল-অতএব তুমি সেই পরম ধর্ম্মের ফলভাগী-আমি তোমার খাতা দেখিয়া লিখি, আর যাই করি, আমি তোমার ধর্ম্মসঞ্চয়ের মূলীভূত কারণ। অতএব প্রশ্নপত্র দ্বারা খাতা না ঢাকিয়া , আমার প্রশংসা কর। আমি তোমার ধর্ম্মের সহায়। “দেখ, আমি তোমার খাতা হইতে দেখে লিখেছি বটে, কিন্তু আমি কি সাধ করিয়া দেখিয়াছি? নিজে যদি পারিতাম তবে কী দেখিয়া লিখিতাম? দেখ, যাঁহারা বড় বড় সাধু, অন্যের খাতা দেখিয়া লেখাকে মনে করিয়া শিহরিয়া উঠেন, তাঁহারা অনেক চোর অপেক্ষাও অধার্ম্মিক। তাঁহারা নকল করে বলেই, অন্যের খাতা হইতে দেখিয়া লেখার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু তোমারা মেধাবীরা প্রয়োজনাতীত সময়েও দূর্বলদের প্রতি যে মুখ তুলিয়া চাও না, ইহাতেই আমাদের ক্ষোভ, রাগ-অভিমান হয়। অধর্ম্ম চোরের নহে-চোরে যে চুরি করে অন্যের খাতা হইতে দেখিয়া লেখে, সে অধর্ম্ম কৃপণ মেধাবীর।

“দেখ, আমি পরীক্ষাগৃহের প্রতিটি কোণায় কোণায় ভাইয়া/আপু করিয়া বেড়া

মন্তব্যসমূহ